রচনা
বর্ষাকাল
কবির ভাষায় বর্ষার রূপ প্রকাশিত হয়- বাদলের ধারা ঝরে ঝরঝর। আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। মেঘের বুক চিরে চিরে বিদ্যুৎ ঝলকানি দিয়ে, গুরু গুরু রব ছাড়ে রূপমযী বর্ষা। কখনো গাছের ডালে পাতায় পাতায় ঝড়ো হাওয়ার মতন দেখা যায়। কখনো বাঁধভাঙা জলের ঢল নামে। আবার কখনো আকাশের বুক চিরে বৃষ্টি নামিয়ে, নদী-নালা খাল-বিল মাঠ ঘাট জলে ভরিয়ে দেয়।কখনো হয় বানভাসি ।এই রুপকে কে বলে-"শ্যামা বরর্ষা"। মাঠে মাঠে কৃষকের উল্লাস ।বনে বনে সবুজের হাতছানি ।এই রূপটাকে আরো সুন্দর করে সাজিয়ে দেয় ,গাছে গাছে ফুটেথাকা কদম ফুল। পদ্ম জলাশয় ে উঁকি দেয়। রথযাত্রা, রাখি বন্ধন, ঝাপান, মনসা পূজা উৎসব গুলি, বরষায় আকাশ বাতাস মুখরিত হয় ।রুপময়ী বর্ষার যেমন ভালো দিক আছে তেমনি খারাপ দিকও আছে। একটু বেশি বৃষ্টি হলে বন্যা দেখা যায়। ফলে ঘরবাড়ি মাঠ ঘাট ক্ষতি হয়। ম্যালেরিয়া ,টাইফয়েড আমাশয় এই পব রোগের প্রাদুর্ভাব এই সময় ঘটে।
No comments:
Post a Comment