![]() |
ANANDA MARGA SCHOOL
[CLASS- STD-4]
SUBJECT – BENGALI
দেখব এবার জগৎটাকে কবিতার প্রশ্ন উত্তর
Class – 4
অনুশীলনী
১। দু-একটি বাক্যে উত্তর দাও:
ক) মানুষ কেমন করে ঘুরছে?
মানুষ যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে ঘুরছে, অর্থাৎ
সময়ের গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে রহস্য অনুসন্ধান ও ঘটনার মূল উদ্ঘাটনের জন্য এগিয়ে
চলেছে।
খ) ডুবুরি কীভাবে মুক্তো আনে?
ডুবুরি
সমুদ্রের তলদেশে গিয়ে মুক্তা সংগ্রহ করে।
গ) হাউই চড়ে কোথায় যায়?
হাউই
চড়ে মঙ্গলগ্রহ, চন্দ্রলোকের অচিনপুর বা আকাশ-পাতালের রহস্যময় স্থানে যাওয়া যায়.
ঘ) ভুবন ঘুরে কী দেখতে চায়?
ভুবন
ঘুরে কবি অজানাকে জানতে, অদেখাকে দেখতে এবং নতুন কিছু আবিষ্কার করতে চান.
ঙ) সীমার বাঁধন টুটে কী করবে?
সীমার
বাঁধন টুটে কবি রহস্যঘেরা বিশ্বজগত্টাকে হাতের মুঠোয় পুরে দেখতে চান.
২। তিন-চারটি বাক্যে উত্তর লেখো:
ক) 'দেখব এবার জগতটাকে'—কবি কী
কী দেখতে চান?
'দেখব
এবার জগতটাকে' বলে কবি বিশ্বজগতের সমস্ত রহস্য জানতে চান। তিনি বদ্ধ ঘরে আবদ্ধ না থেকে মানুষ কীভাবে
যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে ঘুরছে, দেশ থেকে দেশান্তরে ছুটে বেড়াচ্ছে তা দেখতে চান। এছাড়া মঙ্গলগ্রহ, চন্দ্রলোকের অচিনপুর, আকাশ, পাতাল
এসবের রহস্য তিনি জানতে আগ্রহী.
খ) কবি কোন্ কোন্ অভিযানের কথা বলেছেন লেখো।
কবি
বিভিন্ন দুঃসাহসিক অভিযানের কথা বলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে সমুদ্রের
তলদেশে গিয়ে ডুবুরির মুক্তা সংগ্রহের অভিযান, দুঃসাহসী বৈমানিকের আকাশে পাড়ি
জমানোর অভিযান এবং হাউই চড়ে মঙ্গলগ্রহ বা চন্দ্রলোকে যাওয়ার অভিযান.
৩। ব্যাখ্যা লেখো:
ক) 'কীসের
আশায় করছে তারা বরণ মরণযন্ত্রণাকে!'
এই
উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের দেখব এবার জগৎটাকে' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে 'তারা' বলতে সেই সাহসী ও
নির্ভীক মানুষদের বোঝানো হয়েছে, যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতেও পিছপা হন না। তারা দেশের স্বাধীনতা, মুক্তি এবং মানুষের কল্যাণের
জন্য মরণযন্ত্রণাকে বরণ করে নেন, কারণ তাদের মনে থাকে এক মহান আদর্শ ও ভবিষ্যতের
আশা।
খ) 'পাতাল ফেঁড়ে নামৰ আমি, উঠৰ আমি আকাশ ফুঁড়ে।'
এই
উক্তিটিও কাজী নজরুল ইসলামের দেখব এবার জগৎটাকে কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এটি
অদম্য সাহস, আত্মবিশ্বাস এবং চরম প্রতিকূলতা জয় করার দৃঢ় সংকল্পের প্রকাশ। বক্তা
বোঝাতে চাইছেন যে কোনো বাধাই তাকে দমাতে পারবে না। তিনি পাতাল ভেদ করে নিচে নামতে
এবং আকাশ ফুঁড়ে উপরে উঠতে সক্ষম, যা তার অসীম শক্তি ও ইচ্ছাশক্তির প্রতীক।
৪। শূন্যস্থান পূরণ করো:
ক) তুহিন মেরু পার হয়ে যায় সন্ধানীরা কীসের আশায়?
খ)
রইব নাকো বদ্ধ খাঁচায় দেখব এসব ভুবন ঘুরে।
গ)
আকাশ-বাতাস, চন্দ্র-তারায়, সাগর জলে, পাহাড় -চুড়ে।
ঘ)
পাতাল ফুঁড়ে নামব আমি,
উঠব আমি আকাশ ফুঁড়ে।
৫। অর্থ লেখো:
সিন্ধু:
সাগর, সমুদ্র
হাউই:
এক ধরনের বাজি, রকেট
ভুবন:
পৃথিবী, জগৎ, বিশ্ব
পাথার:
সমুদ্র, বিশাল জলরাশি
সিন্ধুযান:
জাহাজ, নৌকা
বরণ:
গ্রহণ, বরণ করা, স্বাগত জানানো
উথলে:
উপচে পড়া, উচ্ছ্বসিত হওয়া
অভিযান:
যাত্রা, অভিযান, অন্বেষণ
৬। বাক্যরচনা করো:
দুঃসাহসী:
পর্বতারোহীরা দুঃসাহসী অভিযান করেন।
ঘূর্ণিপাক:
নদীর জলে একটি বড় ঘূর্ণিপাক তৈরি হলো।
অচিনপুর:
ছেলেবেলায় আমরা অচিনপুর এর গল্প শুনতাম।
ইঙ্গিত:
তার চোখের ইঙ্গিত আমি বুঝতে পারলাম।
ডুবুরি:
ডুবুরিরা সমুদ্রের গভীরে নেমে গুপ্তধন খুঁজে আনেন।
অভিযান:
হিমালয় জয়ের অভিযান শুরু হলো।
৭। সন্ধি বিচ্ছেদ করো:
চন্দ্রলোক:
চন্দ্র + লোক
হিমালয়:
হিম + আলয়
যুগান্তর:
যুগ + অন্তর
দেশান্তর:
দেশ + অন্তর
৮। টীকা লেখো:
ডুবুরি:
যারা জলের গভীরে ডুব দিয়ে কোনো কাজ করে, যেমন – মুক্তা সংগ্রহ, জাহাজ উদ্ধার, বা বৈজ্ঞানিক গবেষণা।
জোয়ার:
চাঁদের আকর্ষণ ও সূর্যের মিলিত প্রভাবে সমুদ্রের জলরাশি ফুলে ওঠার প্রক্রিয়াকে জোয়ার বলে।
হিমালয়:
এশিয়ার একটি সুবিশাল পর্বতমালা, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট সহ অনেক উঁচু পর্বত ধারণ করে।
মেরু:
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত দুটি বিন্দু, যা পৃথিবীর অক্ষের দুই প্রান্ত নির্দেশ করে। উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু নামে পরিচিত।
৯। এক কথায় লেখোঃ
ক) যারা কোনো কিছুর সন্ধান করে – সন্ধানী
খ) সমুদ্রে ডুব দিয়ে যারা মুক্তো তোলে – ডুবুরি
গ) পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্ত – মেরু
ঘ) নতুন কিছু আবিষ্কারের জন্যে যারা যাত্রা করে – অভিযাত্রী/পর্যটক
৯। সমার্থক শব্দ লেখাঃ (দুটি করে)
আকাশ:
গগন, অম্বর
চন্দ্র:
চাঁদ, শশী
সিন্ধু:
সাগর, সমুদ্র
জগৎ:
বিশ্ব, দুনিয়া
অনলাইন ক্লাস, অফলাইন নোটস
যোগাযোগ করুন –
BILTUSIR
+91 7318792545
Whatsapp and telegram
Telegram channel – Biltusir official
YouTube channel – Biltusir official , Biltusir study, Biltusir amps
Website – biltusir.blogspot.com

No comments:
Post a Comment