১। দু-একটি বাক্যে উত্তর দাও:
ক) শিশুর কান্না দেখলে মায়ের চোখে জল আসে এবং শিশুর হাসি মায়ের মনে শতদলের মতো আনন্দ ফোটায়।
খ) মায়ের স্নেহ কেবল তার সন্তানকে ঘিরে থাকে।
গ) মায়ের মন কেবল তার সন্তানের ভালো চায়।
ঘ) শিশুর মনে অবাক বিস্ময় জাগে কারণ সে দেখে যে মায়ের সমস্ত বিশ্ব কেবল তাকে ঘিরেই গঠিত।
ঙ) এই দুনিয়ায় মায়ের স্নেহের কোনো তুলনা নেই।
২। তিন-চারটি বাক্যে উত্তর লেখো:
ক) 'তোমার বিশ্ব কেবল আমায় নিয়ে গড়া।'- এমন মনে হওয়ার কারণ কী?
মায়ের পুরো বিশ্ব তার সন্তানকে নিয়েই গঠিত, কারণ শিশু যখন কাঁদে তখন মায়ের চোখে জল আসে, আবার শিশুর হাসিতে মায়ের মনে শতদল ফোটে। শিশু অসুস্থ হলে মা সারারাত জেগে থাকে এবং কেউ বকলে মা রাগ করে। মায়ের চোখ সবসময় তার সন্তানকে খোঁজে এবং তার ভালো চায়। এই কারণেই শিশুর মনে হয় মায়ের বিশ্ব কেবল তাকে নিয়েই গড়া।
খ) মায়ের মুখের ঘুম পাড়ানি গান শিশুর উপর কেমন প্রভাব ফেলে?
মায়ের মুখের ঘুম পাড়ানি গান শিশুর মনে এক গভীর প্রশান্তির অনুভূতি জাগায়। যখন মা স্নেহভরা দু'চোখ দিয়ে তার সন্তানের দিকে তাকিয়ে গান গায়, তখন শিশু সেই ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে যায়। এই গান শিশুর মনে এক অদ্ভুত বিস্ময়ের জন্ম দেয় এবং সে বুঝতে পারে যে মায়ের ভালোবাসা কতটা গভীর।
৩। ব্যাখ্যা লেখো:
ক) 'আমার চলা-বলা তোমার আনন্দ জাগায়।'
এই পঙক্তিটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, সন্তানের প্রতিটি ছোট ছোট কাজ, যেমন হাঁটা, কথা বলা, মায়ের মনে গভীর আনন্দ ও তৃপ্তি নিয়ে আসে। সন্তানের বেড়ে ওঠা এবং তার স্বাভাবিক কার্যকলাপ মায়ের কাছে এক পরম আনন্দের উৎস।
ব্যাখ্যা লেখো:
খ) 'তোমায় দেখে মনে জাগে অবাক বিস্ময়!'
Answer: আলোচ্য পঙক্তিটি 'আনন্দ মঞ্জুষা' নামক পাঠ্যপুস্তক থেকে নেওয়া হয়েছে। এই পঙক্তির মাধ্যমে কবি মায়ের প্রতি সন্তানের অপার ভালোবাসা এবং ভক্তি প্রকাশ করেছেন। মায়ের স্নেহ, মমতা ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার তুলনা হয় না। মায়ের এই অকৃত্রিম ভালোবাসা দেখে সন্তানের মনে বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়, কারণ এই ভালোবাসা পৃথিবীর অন্য কোনো কিছুর সাথে তুলনীয় নয়। মা-ই সন্তানের কাছে সবচেয়ে বড় আশ্রয় এবং ভালোবাসার প্রতিমূর্তি। এই কারণেই সন্তান মাকে দেখে অবাক হয় এবং তার মনে গভীর ভক্তির উদ্রেক হয়।
No comments:
Post a Comment